|
newsNet:: menu
|
|
অন্যান্য তথ্য |
|
|
তৈরি পোশাকশিল্পে অস্থিরতা, নিরাপত্তা দাবি করেছে মালিকপক্ষ |
| |
| |
|
| |
| |
৩১ জুলাই ২০১০ (নিউজনেট)- রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ভাংচুরের ফলে তৈরি পোশাকশিল্প খাতে এক নজিরবিহীন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এসব ঘটনায় হতাশ গার্মেন্টস নেতৃবৃন্দ। তাদের অনেকের মতে মজুরিই এ খাতের একমাত্র সমস্যা নয়। একটি মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্যে এ সহজ অস্ত্রটিই বার বার কাজে লাগাচ্ছে। এদিকে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেন, নতুন মজুরি কাঠামোতে শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বিজিএমইএ সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, শুক্রবার যেটা ঘটেছে সেটা দেখে আমরা বিস্মিত। সরকার একটি "য়েজ বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে। ২০০৬ সালের তুলনায় এবং অন্যান্য খাতের কারখানার তুলনায় এটা অনেক বেশি। সকল গ্রেডে ৮১ ভাগ পর্যন্ত মজুরি বেড়েছে। বিশ্বমন্দা " বাস্তব অন্যান্য কারণে আমাদের অনেকেরই এই মজুরি দিতে কষ্ট হবে। অনেকের সক্ষমতা" নেই। তারপর" শিল্পের সার্থে শ্রমিকের স্বার্থে এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আমরা এটা মেনে নিয়েছি। কিন্তু তারপর" এ ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কেন? এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা এখন সরকারের কাছে আমাদের শিল্পের নিরাপত্তা চাই।’ বিকেএমইএ প্রেসিডেন্ট সেলিম "সমান বলেছেন, ‘সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্যেই "য়েজ ঘোষণার পর" এ ধরনের ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আমরা মনে করি এই প্রেক্ষাপটে সরকারকে কঠোর হতে হবে। আমাদের আর কিছু করার নেই। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়েছি। সেটা আমাদের ইচ্ছায় নয়, সরকারের ইচ্ছায় দিয়েছি।’ এ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি নিয়ে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে" কথা হয়েছে। তারা বলেছেন ভিন্ন কথা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস "য়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, শ্রমিকদের প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যায় তাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। মজুরি বাস্তবায়নে সরকার যে সময় নির্ধারণ করেছে সেটি" যুক্তিগ্রাহ্য নয়। ঘোষণা অনুযায়ী নভেম্বর থেকে নতুন মজুরি বাস্তবায়ন হবে। এর অর্থ হলো সামনের রমজান " দুইটি ঈদে শ্রমিক প্রত্যাশিত বাড়তি আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। নতুন মজুরি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হলে তারা কিছু বাড়তি বেতন বোনাস পেতেন, সেটা তারা পাবেন না। তিনি বলেন, এখনো ১৫ দিন সময় আছে। আইনের বিধান অনুযায়ী এই সময়ের মধ্যে খসড়া মজুরি রোয়েদাদ পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। তিনি দাবি জানান, ঘোষিত মজুরি রোয়েদাদ পুনর্বিবেচনা করে অবিলম্বে সেটি কার্যকর করতে হবে। তিনি শ্রমিকদের শান্ত থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে " শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে। ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দে র সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শ্রমিকদের আন্দোলনকে শান্তিপূর্ণভাবে অগ্রসর করার আহবান জানিয়ে বলেন, এখন প্রথম কাজ হলো ঘোষিত ৩ হাজার টাকার সর্বনি¤" মজুরি পুনর্বিবেচনা করে ৫ হাজার টাকায় নিয়ে যা"য়া। তাছাড়া নভেম্বর থেকে নতুন মজুরি বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে। এটি প্রত্যাহার করে যেদিন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয় সেদিন থেকে অর্থাৎ ২৮ এপ্রিল ২০১০ থেকে এটি কার্যকর করতে হবে। |
|
| |
|
| |
|