|
newsNet:: menu
|
|
বাণিজ্য ও শিক্ষা |
|
|
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ১১ জনকে দায়ী করে তদন্ত প্রতিবেদন পেশ |
| |
২৫ জুলাই ২০১০ (নিউজনেট)- সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ১১ জনকে দায়ী করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ১১ জনের মধ্যে ছয়জন বিজি প্রেসের, একজন পিএসসির এবং চারজন বাইরের বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকার গঠিত তদন্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। রোববার দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম গোলাম ফারুক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের কাছে এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ৮৮ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনে কমিটি বিজি প্রেসের গোপনীয় শাখার আইন সংশোধন, প্রেসের ব্যবস্থাপনা " নিরাপত্তা জোরদার, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের একাধিক সেট ছাপানোসহ ১৫টি সুপারিশ" করা হয়েছে। একই সঙ্গে কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত পর্দার অন্তরালের শক্তিকে খুঁজে বের করে আইনের মুখোমুখি করার সুপারিশ করেছে। এই ১১ জন হলেন বিজি প্রেসের কম্পোজিটর শহিদুল ইসলাম, এ বি এম মোস্তফা, বাইন্ডার লাবণী বেগম, মো. হামিদুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক খন্দকার মোহাম্মদ আলী " ফর্মাপ্রুফ প্রেসম্যান মো. আবদুল জলিল, পিএসসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবদুর রউফ এবং রংপুরের বিনোদন কেন্দ্র ভিন্নজগতের কর্মচারী মো. আতিকুল ইসলাম, মো. শফিয়ার রহমান, আরিফ " নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজার রহমান। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে তদন্ত কমিটি প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত এমন ১১ জনের নাম প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় রংপুর থেকে আটক ১৬৭ জনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় অপরাধী চক্রের মূল ব্যক্তিদের তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় " গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর। প্রসঙ্গত, ৯ জুলাই সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হ"য়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষার আগের দিন রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা ঘটলে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। |
|
| |
|
| |
|