|
newsNet:: menu
|
|
কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্প |
|
|
নাটোরের নর্থ বেঙ্গল চিনি কলে বিদ্যুৎ " সাদা চিনি উৎপাদনের পরিকল্পনা |
| |
৩১ জুলাই ২০১০ (নিউজনেট) - নাটোরের লালপুরে অবস্থিত নর্থ বেঙ্গল চিনি কলে কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ " সাদা চিনি উৎপাদনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি প্লান্ট স্থাপনের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। প্লান্টটি স্থাপিত হলে চিনি কলে প্রতিদিন ৯ মেগা "য়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং অপরিশোধিত চিনি শোধন করে ৭৩৫ মে. টন সাদা চিনি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। নাটোর নর্থ বেঙ্গল চিনি কল সূত্র জানায়, চিনি কলটিতে কো-জেনারেশন পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ " সাদা চিনি উৎপাদন প্লান্ট স্থাপনের জন্য ২০০৭ সাল থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ শুরু হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সরেজমিনে চিনি কলে প্লান্ট স্থাপনের প্রাথমিক জরিপ " সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ " চিনি উৎপাদনে সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ চিনি " খাদ্য শিল্প সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল প্লান্ট স্থাপনের বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনার জন্য চিনি কলে আসেন। এখানে প্লান্ট স্থাপনের সকল দিক ইতিবাচক রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন। চিনি " খাদ্য শিল্প সংস্থার পরিচালক (উৎপাদন " প্রকৌশল) মোঃ আবুল কাশেমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী আমিনুল হক, প্রধান রসায়নবিদ লোকমান হোসেন, প্রধান তড়িৎ প্রকৌশলী জ্যোতিময় বড়"য়া " প্রধান পূর প্রকৌশলী ইনতাজ আলী। চিনি " খাদ্য শিল্প সংস্থার প্রতিনিধি দল সূত্র জানায়, নর্থ বেঙ্গল চিনি কলে বিদ্যুৎ " সাদা চিনি উৎপাদন প্লান্ট স্থাপনের সকল দিকই ইতিবাচক বলে গণ্য হচ্ছে। এখানে তিনটি টারবাইনের পা"য়ার প্লান্ট স্থাপিত হলে প্রতিদিন ৯ মেগা"য়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। এর মধ্যে আড়াই থেকে তিন মেগা"য়াট বিদ্যুৎ চিনি কলের চাহিদা পূরণ করে অবশিষ্ট ৬ মেগা"য়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আখ মাড়াই মৌসুমে আখের ছোবরা এবং অন্য সময় কয়লা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সাথে অপরিশোধিত চিনি পরিশোধনের মাধ্যমে সাদা চিনি উৎপাদনের উদ্যোগ নে"য়া যেতে পারে। এতে প্রতিদিন এই চিনি কলে ৭৩৫ মে.টন চিনি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। ফলশ্র“তিতে চিনি কলে অতিরিক্ত জনবলের কর্মসংস্থান এবং মৌসুমী শ্রমিকদের সারা বছর কাজের নিশ্চয়তা পা"য়া সম্ভব হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬০ কোটি টাকাএবং সময় ধরা হয়েছে ২ বছর। আর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বছরে ২৫০ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন সম্ভব হবে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করছে। |
|
| |
|
| |
|