 |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৫টি দেশের সঙ্গে ১৩৮টি চুক্তি, সমঝোতা ও প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে। শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তার আগে স্পিকার আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে বিকেল পৌনে চারটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
একই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সর্বাধিক ২৫টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ভারতের সঙ্গে। এর বাইরে সৌদি আরবের সঙ্গে দুটি, তুরস্কের সঙ্গে ১১টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে দুটি, ইরানের সঙ্গে দুটি, জর্ডানের সঙ্গে দুটি, কুয়েতের সঙ্গে সাতটি, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে একটি, মালয়েশিয়ার সঙ্গে চারটি, মিয়ানমারের সঙ্গে দুটি, ভিয়েতনামের সঙ্গে চারটি, লাওসের সঙ্গে একটি, থাইল্যান্ডের সঙ্গে তিনটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি, কানাডার সঙ্গে একটি, চিলির সঙ্গে একটি, মরিশাসের সঙ্গে একটি, মিসরের সঙ্গে একটি, দক্ষিণ সুদানের সঙ্গে দুটি, রুয়ান্ডার সঙ্গে একটি, মরক্কোর সঙ্গে একটি, চীনের সঙ্গে ১২টি, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ১৩টি, জাপানের সঙ্গে ছয়টি, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে একটি, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একটি, ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে একটি, জার্মানির সঙ্গে একটি, নরওয়ের সঙ্গে একটি, বেলারুশের সঙ্গে ১২, রাশিয়ার সঙ্গে নয়টি, ইউক্রেনের সঙ্গে দুটি, গ্রিসের সঙ্গে দুটি, সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে একটি এবং নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— অপরাধ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আইনগত সহায়তা-সংক্রান্ত চুক্তি, দুই দেশের সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজ দেশে সাজার মেয়াদ ভোগ-সংক্রান্ত চুক্তি, সন্ত্রাস, অপরাধ দমন এবং মাদক পাচার-সংক্রান্ত চুক্তি, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে সহযোগিতা-সংক্রান্ত চুক্তি, স্থলসীমানা চুক্তি-সংক্রান্ত প্রটোকল, রেলপথবিষয়ক সমঝোতা স্মারকের সংযোজন, রয়েল বেঙ্গল টাইগারবিষয়ক প্রটোকল, সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ক প্রটোকল, ভিসা সহজীকরণ ব্যবস্থা ইত্যাদি। রাশিয়ার সঙ্গে স্বাক্ষরিত অন্যতম চুক্তি হলো—পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে আর্থিক ও কারগরি সহায়তা এবং সামরিক কেনাকাটা-সংক্রান্ত চুক্তি।
|