|
এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) প্রেসিডেন্ট আবদুস সালাম মুর্শেদী দেশের অভ্যন্তরে রপ্তানি পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দুর্বল অবকাঠামো, ব্যাংকের অতি উচ্চ সুদহার এবং জ্বালানির উচ্চ মূল্যের কারণে রপ্তানিকারকরা আজ দিশেহারা। রপ্তানি খাত থেকে ২০১১-১২ সালে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা আয় হয়। রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে এক কোটির বেশি শ্রমিক-কর্মচারীর কর্মসংস্থান হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় চার কোটি ব্যক্তির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে রপ্তানিকারকরা প্রস্তুুতকৃত রপ্তানি পণ্য শিপমেন্ট ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। হরতালের কারণে কাভার্ড ভ্যান, লরি, ট্রাক, ট্রেলার চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। অনেক রপ্তানিকারকের রপ্তানি-শিপমেন্ট এবং এলসির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে স্টক-লটের মতো সর্বনাশা অবস্থা সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তাদের মতে, মাত্র দু-এক টি স্টক-লটই একটি রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
|