 |
রাজনৈতিক অস্থিরতা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে দেশে নানা প্রতিকূল অবস্থা বিরাজ করছে। তারপরও বছরের ৩য় প্রান্তিকের তুলনায় ৪র্থ প্রান্তিকে শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ৭ শতাংশেরও বেশি। বেড়েছে আদায়ের পরিমাণও। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণও কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের ৪র্থ বা শেষ ত্রৈমাসিক তথা অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ে শিল্প খাতে ৩৭ হাজার ২৯ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ হয়েছে। ৩য় প্রান্তিকে জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে এ খাতে ঋণ বিতরণ হয়েছিল ৩৪ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা। ৪র্থ প্রান্তিকে ঋণ বিতরণ বেড়েছে ২ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারি ব্যাংকগুলোতে কমেছে ৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ। তবে শেষ প্রান্তিকে ঋণস্থিতিও বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আগের প্রান্তিকে ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪৮ দশমিক ৮৭ কোটি টাকা। আর শেষ প্রান্তিকে ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯৫ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা।
৩য় প্রান্তিকে শিল্পঋণ আদায় হয়েছিল ২৭ হাজার ৯৩১ দশমিক ৭২ কোটি টাকা। ৪র্থ প্রান্তিকে গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর সময়ে আদায় হয়েছে ২৯ হাজার ৩৬৬ দশমিক ৭৭ কোটি টাকা। ৩ মাসের ব্যবধানে আদায় বেড়েছে ৫ দশমিক ১৪ শতাংশ।৩য় প্রান্তিকের তুলনায় খেলাপি ঋণ পরিস্থিতিও কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে শেষ প্রান্তিকে। কমেছে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ। সেপ্টেম্বর শেষে যেখানে ১০ হাজার ৫৬২ দশমিক ৮৯ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ ছিল, ডিসেম্বর শেষে তা কমে ১০ হাজার ৫২৬ দশমিক ৯৪ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। শতাংশের হিসাবে যা শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণও কমেছে ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। আগের ৩য় প্রান্তিকে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ২০৯ দশমিক ৫৯ কোটি টাকা। আর শেষ প্রান্তিকে ছিল ১৪ হাজার ৬৫৯ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা।
|