|
জামাত-শিবিরের তাণ্ডব, সড়ক অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর, তার ওপর জামাত-বিএনপির টানা ৩ দিনের হরতালে বিপাকে পড়েছেন কক্সবাজারে বেড়াতে আসা মানুষ। যানবাহন চলাচল ও নিরাপত্তার কারণে কক্সবাজার থেকে ফিরতে পারছেন না তারা। আটকা পড়ে থাকায় অনেকেরই টাকা-পয়সা শেষ হয়ে গেছে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর থেকেই সারাদেশে সন্ত্রাস শুরু করে জামাত-শিবির। সড়ক অবরোধসহ যানবাহনে আগুন দেয় তারা।
যানবাহন বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েন কক্সবাজারে ঘুড়তে আসা পর্যটকরা। নিরাপত্তাহীনতায় ভ্রমণ শেষ করে গন্তব্যে ফিরতে পারছেন না তারা।
জেলা প্রশাসনের দেয়া হিসাব মতে অবরোধে ৩ হাজার পর্যটক কক্সবাজারে আটকা রয়েছে। নিরাপদে গন্তব্যে ফেরার দাবিতে শুক্রবার রাতে বিক্ষোভও করেন আটকেপড়া পর্যটকরা।
এরপরই কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নিরাপদে পর্যটকদের গন্তব্যে পৌছে দেয়ার বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়। বিমান ও নৌপথে এরই মধ্যে ২ হাজার পর্যটককে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
এখনো যেসব পর্যটক কক্সবাজারে আটকা পড়ে রয়েছেন তাদের জন্য হোটেল মোটেলে কমমূল্যে খাওয়া ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
|