 |
অনলাইন এমএলএম প্রতিষ্ঠান ডোলেন্সার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) বাসা তিন দিন ধরে ঘেরাও করে রেখেছেন প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকেরা। ডোলেন্সারের গ্রাহকদের অভিযোগ, তাঁদের বিনিয়োগ করা টাকা নিয়ে এমডি রোকন ইউ আহমেদ সস্ত্রীক সিঙ্গাপুরে পালিয়ে গেছেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে।
প্রতারণার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গত শুক্রবার থেকে তাঁরা মিরপুর মধ্য পীরেরবাগে এমডির বাসা ঘেরাও করেন। ওই বাসায় তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি আছেন। টাকা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা ওই এলাকা ছাড়বেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।
গ্রাহকেরা বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ ডোলেন্সারের গ্রাহক। তাঁদের প্রত্যেকেই সাত হাজার টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক হয়েছেন। অনেকেই আবার সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ লাখ টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ভাড়া (লিজ) নিয়েছেন। সেই হিসেবে প্রতিষ্ঠানে তাঁদের ৮০০ কোটির বেশি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে।
গ্রাহকদের লোভ দেখানো হয়, ডোলেন্সারের ওয়েবসাইটে ক্লিক করলেই তাঁরা টাকা পাবেন। শর্ত অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও গত তিন মাস তাঁরা কোনো টাকা পাননি। এমনকি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করছেন। এমন সংবাদ পেয়ে গত শুক্রবার গ্রাহকেরা মধ্য পীরেরবাগে এমডির বাসায় গিয়ে দেখেন, বাসা তালাবদ্ধ।
গতকাল রোববার দুপুরে মধ্য পীরেরবাগে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচ শতাধিক গ্রাহক পাঁচতলা একটি বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়েছেন। ওই বাড়ির পাঁচতলায় এমডি রোকনের বাসা। চারতলায় থাকেন তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি। পাঁচতলার বাসাটি তালাবদ্ধ। ওই বাড়ির প্রধান ফটকে থানার পুলিশ ছাড়াও বেশ কয়েকজন দাঙ্গা পুলিশকে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
|