 |
উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে এসইসি’র অধ্যাদেশের আলোচিত ধারা- ২ সিসি বলে দেওয়া একটি আদেশের বিরুদ্ধে পরিচালকদের করা আবেদনের ওপর রোববার শুনানি হয়। সোমবার এই বিষয়ে রায় হবে। দিনভর শুনানির শেষ পর্যায়ে বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি হাসান আরিফের হাই কোর্ট বেঞ্চ এসইসি’র কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা, পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে গত ২২ নভেম্বর আদেশ জারি করে এসইসি। এতে বলা হয়, কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ওই কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৩০ শতাংশ এবং প্রত্যেক পরিচালকের ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকতে হবে।
সোমবারের শুনানিতে এসইসি, ডিএসই, সিএসই ও বিনিয়োগকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর।
বিচারক বলেন, “এটি খুবই সংবেদনশীল একটি বিষয়। কিন্তু এসইসি ক্যালাসের মতো কাজ করেছে। একটি নোটিফিকেশন দিচ্ছে, আবার আরেকটি দিয়ে পরিষ্কার করছে। পরেরটা না দেখে আগেরটা বোঝার উপায় নেই। একটা নোটিফিকেশন দিয়েই তো পরিষ্কার করা যেত।”
উদ্যোক্তা পরিচালকদের পক্ষে অংশ নেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও ড. এম জহির। এসইসি ২সিসি ধারাবলে উদ্যোক্তা পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ার ধারণের বিষয়ে আদেশ দিতে পারে কী না তার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন এ দু’আইনজীবী।
রোববার বেলা পৌনে ১১টায় পরিচালকদের করা তিনটি রিট আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়।
এসইসির আদেশ চ্যালেঞ্জ করে তিনটি আবেদন করেন তিন কোম্পানির ১২ জন উদ্যোক্তা, পরিচালক ও একজন পরিচালক হতে ইচ্ছুক ব্যক্তি। এর আগে বুধবার এনসিসি ব্যাংক ও পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্সের পরিচালকদের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক তুলে ধরেছিলেন।
এদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেছেন, “গত ১৪ মে আরেকটি আবেদন করেছেন সোশ্যাল ইসলামি ব্যাংকের তিনজন পরিচালক। আদালত এ আবেদনের ওপর এক সপ্তাহের রুল দিয়েছেন।”
তিনি আরো জানান, এসইসির আদেশের বিরুদ্ধে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিলসহ চার পরিচালকের পক্ষে সোমবার একটি আবেদন করেছেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। একই দিনে এসইসির ২সিসি ধারা বাতিলের দাবিতে আরেকটি আবেদন করেছেন ড. কামাল হোসেন।
|