 |
এসইসির নির্দেশনা আদালত বহাল রাখলে আর মাত্র দুটি কার্যদিবস হাতে পাচ্ছেন ২ শতাংশের নিচে শেয়ার থাকা পরিচালকরা। এ দুদিনের মধ্যে যারা ২ শতাংশ শেয়ারের কোটা পূরণ না করতে পারবেন, তাঁদের নাম কম্পানির পরিচালনা পরিষদ থেকে বাদ পড়ে যাবে। জানা গেছে, গত ৮ মে পর্যন্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক খাতের ৫০ শতাংশ বা ৫২৬ জন পরিচালকের শেয়ার ২ শতাংশের নিচে ছিল। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের একটি সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ২২ নভেম্বর এসইসির প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে এই তিন খাতে পরিচালকের সংখ্যা ছিল ১১৪৫। তাঁদের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন এবং অবসর নিয়েছেন ১৩৭ জন পরিচালক। আর নতুন করে পরিচালক হয়েছেন ৯ জন। ফলে বর্তমান পরিচালকের সংখ্যা ১০১৭ জন। এঁদের মধ্যে ব্যাংক খাতে ২৫৮ জন, বীমা খাতে ২৫৭ জন এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ৯৬ জন পরিচালকের শেয়ার এখনো ২ শতাংশের নিচে রয়েছে।
জানা গেছে, এরই মধ্যে ৩১ পরিচালক নতুন করে শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। এঁদের মধ্যে ব্যাংক খাতের ১১ জন, বীমা খাতের আটজন এবং লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স খাতের ১২ জন। এ পরিচালকরা ২১ মের মধ্যে ২ শতাংশ শেয়ার কিনে কোটা পূরণ করবেন বলে জানিয়েছেন।
পুঁজিবাজারের অব্যাহত দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। আর এরই আলোকে সরকারের পরামর্শে এসইসি পরিচালকদের ব্যক্তিপর্যায়ে ২ শতাংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে নির্দেশনা জারি করে। কোটা পূরণে ২১ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কেউ এই কোটা পূরণ করতে না পারলে তিনি আর পরিচালক পদে থাকতে পারবেন না। পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভায় তাঁদের স্থলাভিষিক্ত হবেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা, যাঁদের ৫ শতাংশের ওপরে শেয়ার থাকবে। তবে সামগ্রিক বিষয়টি এখন নির্ভর করছে আদালতের ওপর। এসইসির নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদনের শুনানি চলছে হাইকোর্টে। আজ রবিবার শুনানি হতে পারে। শুনানির পর হাইকোর্টের রায়ের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।
|