|
দেশের রেলপথকে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নত করতে ১৪৬টি রেলওয়ে স্টেশন পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার প্রক্রিয়া চলছে। রেলমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শনিবার দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে কেন্দ্রীয় লোকমোটিভ কারখানা পরিদর্শনে এসে একথা বলেছেন। দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলওয়ে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানাকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর কারখানা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, এ কারখানা এশিয়ার মধ্যে একটি অন্যতম রেল কারখানা। এ কারখানার দক্ষ শ্রমিকদের কাজে লাগিয়ে যুগোপযোগী ও মানসম্পন্ন রেলওয়ে ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।
লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শনকালে ভূমি প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খলিলুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক ফেরদৌস আলম, দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মীর নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোঃ ময়নুল ইসলাম ও পার্বতীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান প্রামানিক উপস্থিত ছিলেন।
নীলফামারিতে যোগাযোগ ও রেলমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ১৪৬টি রেলস্টেশন পুনরায় চালু করা হবে। আর কালো বিড়াল সাদা বিড়াল বুঝি না, বিড়ালটি ইঁদুর ধরতে পারে কিনা এটি এখন বড় কথা। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন রেলের মধ্যে একটা দুষ্ট চক্র আছে। এরা সর্ষের মধ্যে ভূত। এই ভূতগুলোকে তাড়াতে হবে। আমি যত দিন এ মন্ত্রণালয়ে আছি, তত দিন সকল অনিয়ম-অপকর্মে আঘাত হানব। রেলের যাত্রী সেবার মান বাড়াতে, অনিয়ম দুর্নীতি বন্ধ করে রেলকে রাহু মুক্ত করতে চাই। শনিবার সকালে মন্ত্রী পশ্চিমাঞ্চল রেলের নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলকারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী সৈয়দপুর রেল কারখানা পরিদর্শন শেষে কারখানার সম্মেলন কক্ষে রেলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী ৪ আসনের সংসদ সদস্য এ,এ মারুফ সাকলান, পচিমাঞ্চল রেলের জিএম ফেরদৌস আলম, এজিএম আর এস খলিলুর রহমান, সিওএস গোলাম আম্বিয়া, চীফ কমান্ডেন্ট আমিনুল রশিদ, চীফ ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল আলম, চীফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দুলাল কুমার ও সৈয়দপুর রেল কারখানার ডিএস মঞ্জুরুল আলম চৌধুরী।
|