সরকারের পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে বিলাসবহুল পণ্যের উপর নতুন করে শুল্প আরোপ এবং বৃদ্ধির কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পণ্য, সিগারেট, ফলের জুস, আইসক্রিম, মিনারেল ওয়াটার, টয়েলেট পেপার, পোশাক সামগ্রী, তৈরি পোশাক সামগ্রী ও সিরামিক পণ্যসহ ৩৭টি পণ্যের ওপর কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে করে এসব পন্যের দাম বাড়বে।
এছাড়া গাড়ির শুল্কে কিছুটা পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। শুল্ক বাড়ানোর তালিকায় বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক সামগ্রী, ফল, গ্লুকোজ, জ্যাম, জেলি ও সস রয়েছে।
ফল ও ফুল : খেজুর বাদে অন্য সব ফলের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর আরোপের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে সব ফুল ও ফলের দাম (খেজুর বাদে) বাড়তে পারে।
এয়ারকন্ডিশনার : এয়ারকন্ডিশনারের মোট করভার ১৫২ থেকে বাড়িয়ে ২১৩ শতাংশ করা হয়েছে। পণ্যটির ওপর সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে এয়ারকন্ডিশনারের দাম বাড়তে পারে।
সিগারেট : এ বছরও সিগারেটের বিদ্যমান মূল্য স্ল্যাব ১০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন স্ল্যাবে বিদ্যমান সম্পূরক শুল্কহার যথাক্রমে ৩৬, ৫৫, ৫৮ ও ৬০ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৩৯, ৫৬, ৫৯ ও ৬১ শতাংশ ধার্য করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ফলে সিগারেটের দাম বাড়তে পারে।
মোবাইল বিল : পোস্টপেইড মোবাইল গ্রাহকের ক্ষেত্রে মোট বিলের ওপর এবং প্রিপেইড গ্রাহকের ক্ষেত্রে প্রিপেইড কার্ড বিক্রি বা রিচার্জের সময় দুই শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে মোবাইল ফোন কলের ব্যয় সামান্য হারে বাড়তে পারে।
আইসক্রিমের ওপরে ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন। তবে আইসক্রিমের ওপরে আগে শুল্ক ছিলো না।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে যে বাজেট উপস্থাপন করেছেন, তাতে তিনি এসব পণ্যের শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন।